সোমবার সকাল থেকে উত্তপ্ত ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এসময় কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিক রেদোয়ান আহমদ বিবিসি বাংলাকে জানান, কোটা আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি পালন করতে শাটল ট্রেনে করে চট্টগ্রাম শহরের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তখন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের সহ সমন্বয়ক তালাত মাহমুদ রাফিকে ধরে নিয়ে যায়।
ছাত্রলীগ মি. রাফিকে ট্রেন স্টেশন থেকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায়। প্রক্টরের উপস্থিতিতে তার ওপর হামলা চালায়।
তখন আন্দোলনরত ছাত্রীদের একটা অংশ প্রক্টর অফিসের সামনে অবস্থান নেয়। তখন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কয়েকজন ছাত্রীকে ধাওয়া দেয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক মি. আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, “প্রতিবাদে কোটা আন্দোলনকারীদের ছাত্রদের একটা অংশ ক্যাম্পাসে মিছিল বের করলে তাদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে”।
মি. আহমদ জানান, তালাত রাফি মুক্তিযোদ্ধা কোটা ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। কোটা বাতিলের দাবিতে তার একটি বক্তব্য ভাইরাল হয়।
রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া একজন অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীর সমালোচনা করেছিলেন।
এদিকে বিকেলে চট্টগ্রামের ষোলশহরে কোটা সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে তাদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ।
এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে বলেও জানান রেদোয়ান আহমদ।
এসময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
0 comments:
Post a Comment